সাদা পাসপোর্টে কি অস্ট্রেলিয়া ভিজিট করা যাবে?

হ্যাঁ, সাদা পাসপোর্টে অস্ট্রেলিয়া ভিজিট করা সম্ভব, তবে কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে।

শর্তাবলী:

  • ভিসা: সাদা পাসপোর্টধারীদের অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণের জন্য subclass 600 (Tourist Visa) এর জন্য আবেদন করতে হবে।
  • পাসপোর্টের বৈধতা: আপনার পাসপোর্ট অবশ্যই ভ্রমণের সময়কালের পূর্ণ ৬ মাস বৈধ থাকতে হবে।
  • অর্থনৈতিক সামর্থ্য: আপনাকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে আপনার ভ্রমণের খরচ বহন করার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ রয়েছে।
  • চরিত্রের প্রমাণ: পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সাবমিট করতে হবে।
  • ভ্রমণের উদ্দেশ্য: আপনাকে অবশ্যই স্পষ্টভাবে আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে হবে এবং আপনি অস্ট্রেলিয়া থেকে কতদিনের মধ্যে ফিরে যাবেন তার প্রমাণ দিতে হবে।

ভিসা প্রক্রিয়া:

  • অনলাইনে আবেদন: অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট: URL Australian Government Visa Finder থেকে subclass 600 ভিসার জন্য আবেদন করুন।
  • আবেদনপত্র পূরণ: সঠিকভাবে আবেদনপত্র পূরণ করুন এবং প্রয়োজনীয় সকল নথি সাবমিট করুন।
  • আবেদন ফি প্রদান: আবেদন ফি প্রদান করুন।
  • ভিসা প্রসেসিং: আপনার আবেদন পর্যালোচনা করা হবে এবং ভিসা অনুমোদন করা হলে আপনাকে ইমেইলের মাধ্যমে জানানো হবে।

প্রক্রিয়াকরণের সময়:

  • ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময় 12 সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবে, দ্রুততম সময়ে ভিসা পেতে আপনি Priority Processing এর জন্য আবেদন করতে পারেন।

উল্লেখ্য:

  • সাদা পাসপোর্টে ভিসা পাওয়ার হার 100% নয়। আপনার আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
  • ভিসার জন্য আবেদন করার আগে অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইটে সকল নিয়মাবলী এবং প্রয়োজনীয়তা সাবধানে পড়ুন।
  • ভিসা প্রসেসিং সম্পর্কে আপডেট জানতে ImmiAccount: URL ImmiAccount ব্যবহার করুন।

সহায়তার জন্য:

  • অস্ট্রেলিয়ান সরকারের Visa Finder: URL Australian Government Visa Finder ওয়েবসাইট
  • Department of Home Affairs: URL Department of Home Affairs
  • Australian Embassy in Dhaka: URL Australian Embassy in Dhaka

অন্যান্য তথ্য:

  • সাদা পাসপোর্টধারীদের অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণের জন্য eVisitor ব্যবহার করার সুযোগ নেই।
  • সাদা পাসপোর্টধারীরা subclass 651 (Business Visitor Visa) এর জন্যও আবেদন করতে পারেন।
  • অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণের জন্য ভ্রমণ বীমা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়া ভিজিট ভিসা কিভাবে প্রসেস করবো?

অস্ট্রেলিয়া ভিসিট ভিসা প্রসেস করার জন্য আপনাকে নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে:

ধাপ ১: ভিসা সাবক্লাস নির্বাচন:

প্রথমে আপনাকে আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য অনুযায়ী ভিসা সাবক্লাস নির্বাচন করতে হবে। অস্ট্রেলিয়া ভিসিট ভিসার জন্য সবচেয়ে সাধারণ সাবক্লাস হল:

  • সাবক্লাস 600: পর্যটন, বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সাথে দেখা করার জন্য।
  • সাবক্লাস 651: ব্যবসায়িক ভ্রমণের জন্য।

ধাপ ২: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ:

আপনার নির্বাচিত সাবক্লাসের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করুন।

সাধারণ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • পাসপোর্ট: কমপক্ষে ৬ মাসের জন্য বৈধ।
  • ভিসা আবেদনপত্র: পূর্ণাঙ্গভাবে পূরণকৃত।
  • আবেদন ফি:
  • সাম্প্রতিক ছবি:
  • আর্থিক প্রমাণ:
  • ভ্রমণ বীমা:
  • আবাসনের প্রমাণ:
  • অন্যান্য প্রমাণ:

ধাপ ৩: আবেদনপত্র পূরণ:

অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট থেকে আবেদনপত্র ডাউনলোড করে পূর্ণাঙ্গভাবে পূরণ করুন।

ধাপ ৪: ফি প্রদান:

অনলাইনে বা ব্যাংকের মাধ্যমে আবেদন ফি প্রদান করুন।

ধাপ ৫: অ্যাপয়েন্টমেন্ট:

আবেদনপত্র জমা দেওয়ার জন্য VFS Global-এর মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন।

ধাপ ৬: বায়োমেট্রিক:

অ্যাপয়েন্টমেন্ট অনুসারে VFS Global-এ গিয়ে আপনার আঙ্গুলের ছাপ ও ছবি দিন।

ধাপ ৭: ভিসা প্রসেসিং:

আপনার আবেদনপত্র পর্যালোচনা করা হবে এবং ভিসা অনুমোদন করা হলে আপনার পাসপোর্টে স্ট্যাম্প দেওয়া হবে।

ভিসা প্রসেসিং সময়:

ভিসা প্রসেসিং সময় সাধারণত ২০ থেকে ৩০ কর্মদিবস। তবে, কিছু ক্ষেত্রে সময় বেশি লাগতে পারে।

ভিসা ফি:

ভিসা ফি আপনার নির্বাচিত সাবক্লাসের উপর নির্ভর করে।

আরও তথ্যের জন্য:

  • অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট:
  • VFS Global-এর ওয়েবসাইট: [ভুল URL সরানো হয়েছে]

কিছু টিপস:

  • আবেদনপত্র পূরণ করার সময় সাবধানতা অবলম্বন করুন।
  • প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র সঠিকভাবে সংযুক্ত করুন।
  • ভিসা আবেদন করার আগে অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইটে সর্বশেষ তথ্য আপডেট দেখে নিন।

Subclass 600 ভিসার মেয়াদ কতদিন?

Subclass 600 ভিসার মেয়াদ ১২ মাস। এই ভিসা দিয়ে আপনি অস্ট্রেলিয়ায় একাধিকবার প্রবেশ করতে পারবেন।

তবে, মনে রাখবেন, ভিসার মেয়াদ শুরু হয় আপনার প্রথম অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশের তারিখ থেকে।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

  • Subclass 600 ভিসার জন্য আবেদন করার সময়, আপনাকে অবশ্যই আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য, আপনার অস্ট্রেলিয়ায় থাকার সময়কাল এবং আপনার আর্থিক সামর্থ্য প্রমাণ করতে হবে।
  • ভিসা অনুমোদন হলে, আপনাকে ভিসার শর্তাবলী মেনে চলতে হবে।
  • ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে আপনাকে অবশ্যই অস্ট্রেলিয়া ত্যাগ করতে হবে

আরও তথ্যের জন্য:

  • অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট:
  • Y-Axis:

দ্রষ্টব্য:

  • উপরোক্ত তথ্য সাধারণ নির্দেশিকা হিসেবে ব্যবহার করা উচিত।
  • আপনার নির্দিষ্ট পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট অথবা ভিসা বিশেষজ্ঞ
  • সর্বশেষ তথ্য জানতে অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট নিয়মিত পরীক্ষা করুন।

সাবক্লাস ৬০০ ভিসার দাম কত?

সাবক্লাস ৬০০ ভিসার দাম বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভর করে, যেমন:

  • আপনার বয়স: 18 বছরের কম বয়সী আবেদনকারীদের জন্য ভিসা ফি কম।
  • আপনার আবেদনের ধরন: পর্যটন, ব্যবসা, পারিবারিক সফর, স্পন্সরশিপ ইত্যাদির জন্য ভিন্ন ভিন্ন ভিসা ফি প্রযোজ্য।
  • আপনার আবেদনের সময়কাল: দীর্ঘমেয়াদী ভিসার জন্য ভিসা ফি বেশি।
  • আপনার আবেদনের সাথে জমা দেওয়া অতিরিক্ত নথিপত্র: কিছু ক্ষেত্রে, অতিরিক্ত নথিপত্রের জন্য অতিরিক্ত ফি প্রযোজ্য হতে পারে।

বর্তমানে (২০২৪ সালের ০২ এপ্রিল), সাবক্লাস ৬০০ ভিসার জন্য আনুমানিক ফি নিম্নরূপ:

  • পর্যটন ভিসা (subclass 600, stream 601):
    • 18 বছরের কম বয়সী: AUD 140
    • 18-64 বছর বয়সী: AUD 1045
    • 65 বছরের বেশি বয়সী: AUD 1045
  • ব্যবসা ভিসা (subclass 600, stream 600):
    • 18 বছরের কম বয়সী: AUD 140
    • 18-64 বছর বয়সী: AUD 1445
    • 65 বছরের বেশি বয়সী: AUD 1445
  • পারিবারিক সফর ভিসা (subclass 600, stream 602):
    • 18 বছরের কম বয়সী: AUD 140
    • 18-64 বছর বয়সী: AUD 1445
    • 65 বছরের বেশি বয়সী: AUD 1445

আপনার সাবক্লাস ৬০০ ভিসার জন্য সঠিক ফি জানতে, আপনি অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ভিসা ফি ক্যালকুলেটর: [ভুল URL সরানো হয়েছে] ব্যবহার করতে পারেন।**

অন্যান্য খরচ:

ভিসা ফি ছাড়াও, আপনার আবেদনের সাথে জড়িত অন্যান্য খরচও হতে পারে, যেমন:

  • মেডিকেল পরীক্ষার খরচ: আপনার বয়স, স্বাস্থ্য এবং ভ্রমণের ইতিহাসের উপর নির্ভর করে।
  • পুলিশ সার্টিফিকেটের খরচ: আপনার দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছ থেকে।
  • ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকরণের জন্য অন্যান্য ফি: যেমন, অনলাইন আবেদন ফি।

আপনার সাবক্লাস ৬০০ ভিসার জন্য মোট খরচ নির্ধারণ করতে, আপনার অবশ্যই উপরে উল্লিখিত সমস্ত খরচের দিকে বিবেচনা করতে হবে।

অস্ট্রেলিয়া ভিজিট ভিসায় গিয়ে কি সেটেল হওয়া যায়?

অস্ট্রেলিয়া ভিজিট ভিসায় গিয়ে সরাসরি সেটেল হওয়া সম্ভব নয়। তবে, কিছু বিকল্প পন্থা অবলম্বন করে সেখানে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়া সম্ভব।

বিকল্প পন্থাগুলো হল:

1. স্থায়ী ভিসার জন্য আবেদন:

  • অস্ট্রেলিয়ায় থাকাকালীন আপনি স্থায়ী ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
  • স্থায়ী ভিসার বিভিন্ন সাব-ক্লাস রয়েছে, যেমন:
    • দক্ষ শ্রমিক ভিসা
    • পারিবারিক স্পন্সরশিপ ভিসা
    • ব্যবসায়িক ভিসা
    • বিনিয়োগ ভিসা
  • আপনার যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে আপনাকে উপযুক্ত সাব-ক্লাসের জন্য আবেদন করতে হবে।
  • স্থায়ী ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া জটিল ও সময়সাপেক্ষ হতে পারে।
  • অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট: URL Australian Government Visa Finder থেকে স্থায়ী ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

2. অন্য কোন দেশ থেকে স্থায়ী ভিসা:

  • অস্ট্রেলিয়া থেকে অন্য কোন দেশে গিয়ে সেখান থেকে স্থায়ী ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।
  • অনেক দেশে স্থায়ী ভিসার জন্য আবেদনের শর্তাবলী অস্ট্রেলিয়ার তুলনায় সহজ হতে পারে।
  • স্থায়ী ভিসা পেয়ে গেলে আপনি অস্ট্রেলিয়ায় ‘Family Sponsored Visa’-র জন্য আবেদন করতে পারবেন।

3. ‘Employer Sponsored Visa’:

  • যদি অস্ট্রেলিয়ার কোন কোম্পানি আপনাকে চাকরির প্রস্তাব দেয়, তাহলে তারা আপনার জন্য ‘Employer Sponsored Visa’-র জন্য স্পন্সর করতে পারে।
  • এই ভিসা পেলে আপনি অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে কাজ করতে পারবেন।

মনে রাখবেন:

  • উপরে উল্লেখিত বিকল্পগুলোর কোনটিই নিশ্চিত নয়।
  • আপনার আবেদন অনুমোদন করা হবে কিনা তা নির্ভর করবে আপনার যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, আর্থিক সামর্থ্য এবং অন্যান্য বিষয়ের উপর।
  • অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদন করার আগে আপনার সাবধানে পরিকল্পনা করা উচিত।

অস্ট্রেলিয়ায় ভিজিট ভিসায় গিয়ে সেটেল হওয়া সম্পর্কে আরও জানতে নিম্নলিখিত রিসোর্সগুলো দেখতে পারেন:

  • অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট: URL Australian Government Department of Home Affairs
  • অস্ট্রেলিয়ান ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইট: URL Immi.homeaffairs.gov.au
  • [ভিসা ও মাইগ্রেশন আইনজীবীর সাথে পরামর্শ]

অন্যান্য তথ্য:

  • অস্ট্রেলিয়ায় ভিজিট ভিসায় সাধারণত 12 মাস পর্যন্ত থাকা যায়।
  • ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে আপনাকে অস্ট্রেলিয়া থেকে বেরিয়ে যেতে হবে।
  • ভিসার শর্তাবলী লঙ্ঘন করলে আপনার ভিসা বাতিল করা হতে পারে এবং আপনাকে অস্ট্রেলিয়া থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে।

অস্ট্রেলিয়া ভিজিট ভিসা পেতে টাইম কত দিন লাগে?

অস্ট্রেলিয়া ভিজিট ভিসা পেতে কত সময় লাগবে তা নির্ভর করে বিভিন্ন বিষয়ের উপর, যেমন:

১. ভিসার ধরণ:

  • ট্যুরিস্ট ভিসা (subclass 600): 2 থেকে 4 সপ্তাহ
  • ব্যবসায়িক ভিসা (subclass 601): 2 থেকে 4 সপ্তাহ
  • পরিবার ও বন্ধুদের ভিসা (subclass 600): 2 থেকে 4 সপ্তাহ
  • অন্যান্য ভিসা: প্রক্রিয়াকরণের সময় ভিসার ধরণের উপর নির্ভর করে।

২. আবেদনের সময়:

  • ভ্রমণের পূর্বে অনেক আগে আবেদন করলে: ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কম সময় লাগবে।
  • ভ্রমণের নিকটে আবেদন করলে: ভিসা প্রক্রিয়াকরণে বেশি সময় লাগতে পারে।

৩. আবেদনের সম্পূর্ণতা:

  • সম্পূর্ণ এবং সঠিক তথ্য সহ আবেদন করলে: ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কম সময় লাগবে।
  • অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য সহ আবেদন করলে: ভিসা প্রক্রিয়াকরণে বেশি সময় লাগতে পারে।

৪. অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনের কার্যভার:

  • হাই কমিশনের কার্যভার বেশি হলে: ভিসা প্রক্রিয়াকরণে বেশি সময় লাগতে পারে।
  • হাই কমিশনের কার্যভার কম হলে: ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কম সময় লাগবে।

৫. অতিরিক্ত তথ্যের প্রয়োজন:

  • আবেদনের সাথে যদি সকল প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকে: অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশন আপনার কাছে অতিরিক্ত তথ্যের জন্য অনুরোধ করতে পারে।
  • আপনি যদি দ্রুত অতিরিক্ত তথ্য সরবরাহ করেন: ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কম সময় লাগবে।
  • আপনি যদি অতিরিক্ত তথ্য সরবরাহ করতে দেরী করেন: ভিসা প্রক্রিয়াকরণে বেশি সময় লাগতে পারে।

সাধারণভাবে, অস্ট্রেলিয়া ভিজিট ভিসা পেতে 2 থেকে 4 সপ্তাহ সময় লাগে। তবে, উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলির উপর নির্ভর করে প্রক্রিয়াকরণের সময় কম বা বেশি হতে পারে।

আপনার ভিসার আবেদনের প্রক্রিয়াকরণের অবস্থা সম্পর্কে জানতে, আপনি অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনের ওয়েবসাইটে “Visa Finder” টুল ব্যবহার করতে পারেন।

অস্ট্রেলিয়া ভিজিট ভিসা সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য, আপনি অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনের ওয়েবসাইট https://usa.embassy.gov.au/  অথবা https://www.dha.gov.za/   দেখতে পারেন।

অস্ট্রেলিয়া কত দিনের ভিজিট দেয় ?

অস্ট্রেলিয়া কত দিনের ভিজিট দেয় তা নির্ভর করে আপনি যে ধরণের ভিসার জন্য আবেদন করছেন তার উপর।

ভিসার ধরণ এবং বৈধতার সময়কাল:

  • পর্যটন ভিসা:
    • eVisitor (subclass 651): 12 মাসের জন্য বৈধ, 90 দিনের জন্য থাকার অনুমতি দেয়।
    • Tourist Visa (subclass 600): 3, 6, or 12 মাসের জন্য বৈধ, 12 মাসের জন্য থাকার অনুমতি দেয়।
  • ব্যবসায়িক ভিসা:
    • Business Visitor Visa (subclass 600): 3, 6, or 12 মাসের জন্য বৈধ, 12 মাসের জন্য থাকার অনুমতি দেয়।
  • শিক্ষার্থী ভিসা:
    • Student Visa (subclass 500): 5 বছরের জন্য বৈধ, কোর্সের সময়কালের জন্য থাকার অনুমতি দেয়।
  • কাজের ভিসা:
    • Skilled Independent Visa (subclass 189): স্থায়ী ভিসা।
    • Skilled Employer Sponsored Visa (subclass 186): 2 থেকে 4 বছরের জন্য বৈধ, 4 বছরের জন্য থাকার অনুমতি দেয়।
    • Temporary Skill Shortage Visa (subclass 482): 2 থেকে 4 বছরের জন্য বৈধ, 4 বছরের জন্য থাকার অনুমতি দেয়।

ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি:

কিছু ক্ষেত্রে, আপনি আপনার ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য আবেদন করতে পারেন।

আরও তথ্যের জন্য:

দ্রষ্টব্য:

  • ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময় কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
  • ভিসার জন্য আবেদন করার আগে আপনার যোগ্যতা এবং প্রয়োজনীয়তাগুলি carefully পরীক্ষা করে নিন।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *